পরিমিত বোধের শিক্ষা
নতুন প্রজন্ম এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায়। সেই জগৎ আর সেকেলে নেই। অনেক পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। সন্তানকে উপযুক্ত করে মানুষ করার জন্য পিতা-মাতা ও অভিভাবকদের চেষ্টার ত্রুটি থাকে না। অনেকে বলেন,সন্তানকে অভাব শেখানোটা মানুষ করার জন্য খুব প্রয়োজন। কথাটা সম্পূর্ণ ঠিক না বেঠিক তা নিয়ে মতবিরোধ থাকতে পারে। একটু ভিন্ন ভাবে বলতে গেলে,”যেমন আয় তেমন ব্যয় করা শেখানো দরকার। সন্তানকে পরিমিত বোধের শিক্ষা দেওয়াটা খুব জরুরি। সন্তান লালন-পালনের ক্ষেত্রে পড়াশুনা অগ্রাধিকার। সন্তানের চাহিদা পূরণ করার তাগিদে মা- বাবার প্রচেষ্টা থাকে নিরন্তর। ভবিষ্যৎ সঞ্চয়ের জন্য শেষটুকুও সন্তানদের কথা ভেবে ব্যয় করে ফেলছেন । মা-বাবা তাঁদের ব্যক্তিগত চাহিদাগুলিও অনেক সময় অপূর্ণ রাখেন। সবটাই সন্তানের সুখের কথা ভেবে। সন্তানের ভবিষ্যৎ স্বচ্ছল করার জন্য অনেক ত্যাগও করতে হয়। সন্তানরা সেই সব বিষয়ে কতটা খোঁজ-খবর রাখে,তা নিয়ে ভাবতে হবে। সন্তানদের সেই বাস্তবতা বোঝাতে হবে।
এমন অনেক পিতা-মাতা রয়েছেন যাঁরা সন্তানের চাহিদা পূরণ করতে করতে জেরবার হয়ে পড়েন। সন্তানেরা বন্ধু -বান্ধব নিয়ে দিব্যি আয়েশে রয়েছে। মা-বাবার ত্যাগের বিষয়টি বুঝতে পারছে না। সন্তানদের সেই বোধটা জাগিয়ে দিতে হবে ছোট বয়স থেকেই।সন্তানরা মা-বাবার অনিদ্রার কারণ জানতে চেষ্টা করে না। অনেক পরিবারে সন্তানের অত্যাচারের মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। সমাজ মাধ্যমে সেই ছবিটা ধরা পড়ে। “আমার সন্তান বেঁচে থাকুক দুধে ভাতে। ” প্রত্যেক মা-বাবা অভিভাবকরা এটাই প্রার্থনা করে। সন্তানের সকল অন্যায়-অবিচার মাথা পেতে নিয়ে বাবা-মা অসহায় হয়ে পড়েন। তাই শিশু-কিশোর বয়স থেকেই তাদের প্রকৃত শিক্ষাটা দিয়ে চলুন।

